Pages

Showing posts with label social problem. Show all posts
Showing posts with label social problem. Show all posts

Wednesday, 10 October 2018

Child Labor


Stop child labor


Children are the key of future development nurturing in appropriate environment and ensuring their rights is our responsibility. But child labor is  increasing alarmingly day by day. According to UNESCO, in Bangladesh, 40 percent of total population is children. Among them 20 percent is engaged   in child labor. It is matter of great regret that , now the canteens ,departmental stores of University of Dhaka are full of child laborers .They are below 14/16. There also 9-10 aged child. But no one is concern about this. Instead of going school they are washing plate whole the day. They are fully deprived from their basic need ‘Education’. Instead of slapping with affection of mother they have to sleep on the floor of canteen. They are deprived from their parent’s love. They have no chance to take rest in the whole day let along recreation.Sadly   they are actually deprived from all basic needs. Authority should think about them.

Jashim Uddin
department of sociology, University of Dhaka.

Published:7 oct. 2018
The Daily Sun

Plight of Aged People


প্রবীণদের পাশে থাকুন


চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পাচ্ছে ।তাই সমাযের ব্যবধানে প্রবীণের সংখ্যাও বাড়ছে। বার্ধক্য জীবনের অনিবার্য একটি ধাপ । যা কারো পক্ষে জয় করা সম্ভব নয়।এ সময় তারা কর্মস্পৃহা হারিয়ে ফেলে। যাদের বয়স ৬৫ বছরের উপরে তাদেরকেআমরা প্রবীণ বলি। আসলে তারা আমাদের অগ্রজ।এ প্রবীণদের সান্নিধ্যেই বেড়ে ওঠে পরবর্তী প্রজন্ম।তাই  আদিকাল থেকে তারা শ্রদ্ধার সর্বোচ্চ স্থান দখল করে আছে ।কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হল বর্তমানে প্রবীনরা সমাজের আবহেলার পাত্র হয়ে দাড়িয়েছে ।সারা জীবন কষ্ট করেও বৃদ্ধ বয়সে এসে তাদের কপালে সুখ জোটে না।খুব আসহায় ও মানবেতর জীবন যাপন করে তারা ।প্রথমত তারা ভাবের আদান প্রদানের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছে। বিশ্বায়নের যুগে কালচার খুব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে ।তাই তারা এ পরিবর্তিত কালচারের সাথে মানিয়ে উঠতে পারছে না । ফলে তাদের সামাজিক যোগাযোগ ব্যহত হচ্ছে।
 বর্তমান শিল্পায়নের ফলে পারিবারিক কাঠামো পরিবর্তন হয়ে হচ্ছে। অর্থাৎ যৌথ পরিবারের সংখ্যা কমে একজক পরিবারে সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রবীনরা পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। তাদের ভোগান্তিও বাড়ছে।
সন্তান কর্তৃক পিতা মাতার ভরণ পোষণ নিশ্চিত করতে “পিতা-মাতা ভরণ-পোষণ আইন-২০১৩” প্রনয়াণ করা হলেও সন্তানরা তাদের পিতা মাতার প্রতি উদাসীন ।করণ শিল্পায়নের ফলে মানুষের মনজগতে বড়ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়রছে । পূর্বে মানুষ ভাবত, “আমি পরিবারের জন্য”। কিন্তু বর্তমানে তারা ভাবে, “পরিবার আমার জন্য”। তাই প্রবীনদের যত্ন নেয়ার বিষয়টি অতি তুচ্ছ।
এ হল বর্তজমান পরিস্থিতি । ভবিষতের চিত্র আরো ভয়াবহ ।পরিংখ্যান অনুযায়ী আগামী ২০২৫ সাল নাগাদ দেশে প্রবীনের সংখ্যাআ হবে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ। ২০৫০ সাল নাগাদ এই সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি এবং ২০৬১ সালে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি প্রবীন জনগোষ্ঠী হবে। যা ঐ সমায়ের জ্জন্সংখ্যার ২০ শতাংশ। সে পরস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। 
আশার কথা হল, বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ট বা জন্সংখ্যাতাত্ত্বিক সুবিধা ভোগ করছে।অর্থাৎ বাংলাদেশে বর্তমানে ১৫ থেকে ৬৪ বয়সী জন্সংখ্যা বেশি( ৬৬ শতাংশ)। তাই এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে জন সম্পদে পরিণত করতে পারলে প্রবীন্দের ভাল রাখা সভব হবে। তাই প্রবীণদের সুখে রাখতে তরুণদেরকেই কাজে লাগাতে হবে।
প্রবীণদের প্রতি অবহেলার আরো একাটি বড় কারণ হল এ সময় প্রবীণরা বিভিন্ন জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত থাকে।অনেকসন্তান বা আত্নীয়দের জন্য চিকিৎসা ব্যয় বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রবীন্দের চিকিৎসা ব্যয়ের ক্ষেত্রে রাস্ট্রীয় সাহায্য প্রয়োজোন।আবার কল্যানমূলক ব্যবস্থাদি,উন্নত বৃদ্ধাশ্রম আর বয়স্ক ভাতাই যথেষ্ঠ নয় কারণ এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ,৮৮ ভাগ প্রবীণ মান্সিক নির্যাতনের শিকার হন। এছাড়া ৪৪ ভাগ অর্থনৈতিক নির্যাতনের শিকার এবং ৩৯ ভাগ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন। তাই এ দুঃসময়ে তাদের পাশে থাকা আমাদের মানবিক দায়িত্ব।এটা তাদের প্রতি করুণা নয় তাদের অধিকার।


 দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকায় প্রকাশিত
০৭ অক্টোবর ২০১৮

Monday, 1 October 2018

Divorce

বিবাহ বিচ্ছেদের বিরূপ প্রভাব


Saturday, 28 July 2018

Struggle of woman.



 কর্মজীবী নারীর ঘর গেরস্থলী
 
বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর
অর্ধেক তার আনিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর ’’

পঙক্তিটি আমরা প্রতিনিয়ত শুনছি কিন্তু এর মর্মার্থ বুঝতে বোধ হয় আমরা অক্ষম হয়েছি ।যদি আমরা বুঝতাম তবে এভাবে নারী পুরুষের মাঝে এত বড় সামাজিক সাংস্কৃতিক বৈষম্যের দেয়াল আমরা সৃষ্টি করতাম না ।প্রকৃতপক্ষে নারীদের পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে হলে মুখ বুজে সহ্য করতে হয় অনেক জুলুম আর নির্যাতন ।টিকে থাকার জন্য প্রযোজন হয় সংগ্রামের ।কারণ তারা সবখানেই উপেক্ষিত ।সমাজে না আছে তাদের অধিকার ,না আছে আত্নমর্যাদা ,না অর্থনৈ্তিক স্বাধীনতা।আর এ সব এভারেস্ট সমতুল্য বৈষম্যের মহা প্রাচীর যারা পাড়ি দিয়ে যে সব নারী নিজ পায়ে দড়ানোর চেষ্টা করেছে ,কর্মে আত্ননিয়োগ করেছে তাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে ডাবল বারডেন’(একই ব্যক্তি কর্মক্ষেত্রের এবং বাড়ির কাজ সামলানো) নামক নির্যাতন।২০১৭-১৮ অর্থ বছরের বিবিএসের জরিপ অনুযায়ী, পুরুষ ও নারী উভয়ই কর্মজীবীএমন পারিবারিক পরিবেশে ৮৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই রান্নার কাজটি করতে হয় ওই নারীকেই। আর কর্মজীবী পুরুষের রান্না করতে হয় মাত্র আড়াই শতাংশ ক্ষেত্রে। কর্মজীবী ১০০ নারীর মধ্যে ৮৯ জনই কাপড় ধোয়ার কাজ নিজেই করেন। আর ১০০ কর্মজীবী পুরুষের ক্ষেত্রে এই কাজ করেন মাত্র ১২ জন। অন্য পুরুষদের কাপড় ধোয়ার এই কাজ করেন গৃহকর্মী (বেশির ভাগ নারী), পরিবারের অন্য নারী সদস্য অথবা লন্ড্রিতে করানো হয়। কর্মজীবী নারীদের ৮৮ শতাংশ ঘর পরিষ্কারসহ বাসার বিভিন্ন জিনিস সাফসুতরো রাখার কাজ করে থাকেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ৭ শতাংশ।
ঘরের কেনাকাটার (শপিং) ক্ষেত্রে অবশ্য কর্মজীবী পুরুষের অংশগ্রহণ বেশি। কর্মজীবী পুরুষদের ৭৭ শতাংশই ঘরের কেনাকাটার কাজটি করে থাকেন। অন্যদিকে ২৬ শতাংশ কর্মজীবী নারী চাকরির পাশাপাশি সংসারের জন্য কেনাকাটার কাজটিও নিয়মিত করে থাকেন। পরিবারের শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ সদস্যদের দেখভালের দায়িত্বও বেশির ভাগ কর্মজীবী নারীকে সামলাতে হয়। ৫৩ শতাংশ কর্মজীবী নারী নিয়মিত এ কাজ করেন। বিপরীতে পরিবারের এসব সদস্যের যত্ন নেওয়ার কাজটি করে থাকেন ২১ শতাংশ কর্মজীবী পুরুষ। এসব নির্দিষ্ট কাজের বাইরেও সংসারের টুকিটাকি অন্য কাজে কর্মজীবী নারীর অংশগ্রহণ (৫০ শতাংশ) কর্মজীবী পুরুষের তুলনায় বেশি। এই জরিপ অনুযায়ী কর্মজীবী নারীরা পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ পাচ্ছেন না।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমরা কেউ এটাকে অন্যায় মনে করছি না এমনকি সেই কর্মজীবী নারীও না ।এর মূল কারণ হল আমাদের ঐতিহ্যগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রথাগত বিশ্বাস। আমাদের আচার আচরণ,দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের সংস্কৃতি দ্বারা নির্মিত।আর এটা তৈরী হয় সামাজিকীকরণের মাধ্যমে ।সেই ছোট  বেলায় খেলার উপকরণই আমাদের শিখিয়েছে যে নারীই ঘরের যত সব কাজ করবে ।কোন ছেলে শিশু যদি হাড়ি-পাতিল নিয়ে খেলতে বেশি আগ্রহী হয় তবে তার মা বাবাই তাকে অনুৎসাহিত করে এবং বলে এটা মেয়েদের খেলা ।আর এ খেলা এক সময় তাদের কাজ হয়ে যায় ।আজও পাঠ্যপুস্তক ,দূরদর্শন থেকে আমরা শিখে যাচ্ছি এ বৈষম্য।সেখানে দেখানো হচ্ছে ,নারী কর্মস্থল থেকে এসে নাস্তা এবং বিশ্রামের বিছানা প্রস্তুত করে অপেক্ষা করছে তার পরিবারের অন্য সদস্যদেরজ জন্য ।হোক সে কর্মজীবী নারী ,তাতে কি ?নারী তো ।সুতরং এসব কাজ তো তারই ।আসলে পুরুষতান্ত্রিকতা আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে আছে।তাই এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্যে সবার আগে আমাদের পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।নারীদেরও সচেতন হতে হবে তবেই পরিবর্তন সম্ভব।


জসীম উদ্দীন
সমাজবিজ্ঞান বিভাগ 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।